Satkhira

ক্যান্টিনের পেছনে সেপটিক ট্যাংকের ধারে বহু টাকা মূল্যের এ ওষুধ মাটি চাপা দেওয়া ছিল। বৃষ্টির পানিতে ভিজে তা বেরিয়ে পড়ে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে যার মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত। সাথে গজ ব্যান্ডেজ ও ক্যানোলা রয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমান সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

২৫ মে, শনিবার ভোরের বৃষ্টিতে বস্তায় রাখা ওষুধগুলো বেরিয়ে পড়ে। শনিবার দুপুরে ওই ওষুধ ফের মাটি চাপা দেওয়ার জন্য স্টোর কীপারের সাথে শ্রমিকদের দরকষাকষির সময় বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে। ওষুধের পরিমান কমপক্ষে ১৫ বস্তা বলে দাবি হাসপাতাল কর্মচারিদের ।

Contact Of Sales Agent For Buying Ticket

banner
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ওষুধ ভর্তি বস্তাগুলি ড্রেনের মধ্যে পড়ে থেকে পচে ওঠে। এর থেকে কিছু স্যাম্পল আমরা জব্দ করেছি। কে বা কারা এই ওষুধ লোপাটের সাথে জড়িত তা তদন্ত না করে বলা সম্ভব নয়।”

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শাহজাহান আলি বলেন, “আমি অফিস থেকে চলে আসার পর  দুপুরে খবরটি জানতে পেরেছি। ক্যান্টিনের পেছনে সেপটিক ট্যাংকের ধারে বহু টাকা মূল্যের এ ওষুধ মাটি চাপা দেওয়া ছিল। বৃষ্টির পানিতে ভিজে তা বেরিয়ে পড়ে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে  যার মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত। সাথে গজ ব্যান্ডেজ ও ক্যানোলা রয়েছে।”

ডা. শাহজাহান আরও বলেন, “এসব ওষুধ হাসপাতালের  ষ্টোর থেকে খোয়া যায়নি। এমনকি এসব ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী তার সময়কালে ক্রয় করা হয়নি।”

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন নুর হোসেন বলেন, আমার বাবার চিকিৎসার জন্য অনেক দিন মেডিকেলে ভর্তি করে আছি। এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে বাজার থেকে কিনে আনতে হয়। অথচ সরকারের দেওয়া কোটি কোটি টাকার ওষুধ যা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা তা চুরি করে যাচ্ছে অসাধু ব্যক্তিরা। ওষুধ লোপাটের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি
travel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *